মালয়েশিয়ায় অক্টোবরের শেষে পাম অয়েলের মজুদ আগের মাসের তুলনায় ৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ বেড়েছে। এ সময় দেশটিতে ভোজ্যতেলটির মোট মজুদ পৌঁছেছে ২৪ লাখ ৬০ হাজার টনে। মালয়েশিয়ান পাম অয়েল বোর্ড (এমপিওবি) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
সংস্থাটি জানিয়েছে, অক্টোবরে মালয়েশিয়ায় অপরিশোধিত পাম অয়েলের উৎপাদন এর আগের মাসের তুলনায় ১১ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ বেড়েছে। এ সময় মোট মজুদ পৌঁছেছে ২০ লাখ ৪০ হাজার টনে। একই সময় পণ্যটির রফতানি ১৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেড়ে ১৬ লাখ ৯০ হাজার টনে দাঁড়িয়েছে।
রয়টার্স এর আগে অক্টোবরের শেষে পাম অয়েলের মজুদ ২৪ লাখ ৪০ হাজার টনে পৌঁছবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল। এছাড়া এ সময় উৎপাদন ১৯ লাখ ৪০ হাজার টন ও রফতানি ১৪ লাখ ৮০ হাজার টনের মতো হবে বলেও ধারণা করেছিলেন জরিপে অংশ নেয়া বিশ্লেষকরা।
এদিকে ফিউচার মার্কেটে মালয়েশীয় পাম অয়েলের দাম টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বেড়েছে। ভোজ্যতেলটির দাম বাড়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছে শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) সয়াবিন তেলের মূল্যবৃদ্ধি।
বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে জানুয়ারিতে সরবরাহ চুক্তিতে গতকাল পাম অয়েলের দাম টনে ২৭ রিঙ্গিত বা দশমিক ৬৬ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ৪ হাজার ১৩৯ রিঙ্গিতে (৯৭৯ ডলার ৮৮ সেন্ট)।
সেলাঙ্গরভিত্তিক ব্রোকার পেলিনদুং বেসতারির পরিচালক পরামালিঙ্গম সুপ্রমানিয়াম বলেন, ‘সয়াবিন তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতায় দাম বাড়ছে পাম অয়েলের। তবে নভেম্বরের শুরুতে রফতানি কমে যাওয়া এবং রিঙ্গিতের বিনিময় হার বৃদ্ধি দাম বাড়ার এ প্রবণতাকে সীমিত করে তুলেছে।’
কার্গো সার্ভেয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোর হিসাব অনুযায়ী, ১-১০ নভেম্বর মালয়েশিয়া থেকে পাম অয়েল রফতানি গত মাসের একই সময়ের তুলনায় ৯ দশমিক ৫ থেকে ১২ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে।